চকরিয়ার বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস, পাহাড়খেকো ও জলাবদ্ধতার নেপথ্যের দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার ঘোষণা
চকরিয়ার বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস, পাহাড়খেকো ও জলাবদ্ধতার নেপথ্যের দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার ঘোষণা
মোঃ আবদুল্লাহ (আল্-মামুন) সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ডেইঙ্গাকাটা, পাহাড়চাঁদাসহ বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগের চিত্র প্রত্যক্ষ করেন। পরিদর্শন শেষে বরইতলী ইউনিয়নের ডেইঙ্গাকাটা ও পাহাড়চাঁদা এলাকার বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস দেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে যেভাবে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে, বর্তমান সরকারের আমলে তা কোনোভাবেই চলতে দেওয়া হবে না। পাহাড়খেকোরা যতই প্রভাবশালী হউক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইভাবে কোথাও স্লুইস গেট বন্ধ রেখে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়ে থাকলে, বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, সেতু, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের অবকাঠামো দ্রুত সংস্কার করা হবে।
পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু ও বসতবাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বন্যার পানি সম্পূর্ণ নেমে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সমন্বিত পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান, জেলা পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দিলীপ দে, উপজেলা জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী ইফতেখারুল আলম, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স